আন্তর্জাতিক ডেস্ক, নবোদিশা: গত বছরের ১২ জুন ভারতের আহমেদাবাদের সরদার বল্লভভাই প্যাটেল বিমানবন্দর থেকে লন্ডনের উদ্দেশে উড্ডয়নের পরপরই বিধ্বস্ত হয় এয়ার ইন্ডিয়া ফ্লাইট ১৭১। ২৩৯ জন যাত্রী ও ক্রুর প্রাণহানির এই ঘটনায় মাত্র একজন যাত্রী প্রাণে বেঁচে ফিরেছেন। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বিমানটি উড্ডয়নের ৩২ সেকেন্ড পরই ভারসাম্য হারিয়ে নিচে পড়ে যাচ্ছে।
তদন্তের কেন্দ্রে বোয়িং ও এয়ার ইন্ডিয়া
ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে ভারতের এয়ারক্রাফট অ্যাকসিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (এএআইবি) তদন্ত চালাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার অ্যানেক্স ১৩ অনুযায়ী, দুর্ঘটনাকবলিত দেশের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দেশের প্রতিনিধিরা এতে যুক্ত হন। এই তদন্তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এনটিএসবি, ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এবং বোয়িং ও জিই অ্যারোস্পেসের বিশেষজ্ঞ দল সরাসরি কাজ করছে।
তদন্তের মূল লক্ষ্য দুর্ঘটনা প্রতিরোধ হলেও এটি ঘিরে তৈরি হয়েছে তুমুল বিতর্ক। বোয়িং ড্রিমলাইনারের মতো আধুনিক বিমানের নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বোয়িং ইতিমধ্যে বিভিন্ন নিরাপত্তা বিপর্যয়ের কারণে চাপের মুখে থাকায় এই ঘটনার তদন্ত তাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যদিকে, টাটা গ্রুপের মালিকানাধীন এয়ার ইন্ডিয়ার ব্র্যান্ড ইমেজ ধরে রাখা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। নিহত যাত্রীদের পরিবারের সদস্যরা দুর্ঘটনার পেছনের প্রকৃত সত্য উন্মোচনের অপেক্ষায় আছেন। যান্ত্রিক ত্রুটি নাকি পাইলটের কোনো সিদ্ধান্তগত ভুল ছিল, সেটিই এখন বিশ্ববাসীর মূল আলোচনার বিষয়বস্তু।

মন্তব্য করুন