আন্তর্জাতিক ডেস্ক, নবদিশা: নিজের পছন্দের খাবার বেছে নেওয়ার অধিকার মানুষের ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অন্যতম বড় অংশ। সম্প্রতি এই মৌলিক অধিকারের পক্ষেই সরব হয়েছেন বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী। খাদ্যতালিকা নিয়ে অন্যের নিয়ন্ত্রণমূলক আচরণের তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, একজন মানুষের ব্যক্তিগত খাদ্যাভ্যাস নিয়ে কেন তৃতীয় কোনো পক্ষ হস্তক্ষেপ করবে।
ব্যক্তিগত পছন্দ ও সামাজিক গণ্ডি
বিশ্বজিৎ চক্রবর্তীর এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, নিজের অর্জিত অর্থ দিয়ে কী আহার করা হবে, তা একান্তই ব্যক্তিগত বিষয়। খাদ্যাভ্যাস নিয়ে সমাজে প্রচলিত অনুশাসন বা অন্যের উপদেশ যে তার পছন্দ নয়, তা তার কথায় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, শারীরিক সুস্থতা বা ব্যক্তিগত রুচির দোহাই দিয়ে অন্যের খাবারের ওপর মতামত চাপিয়ে দেওয়া হয়। বিশ্বজিৎ এই ধরনের প্রবণতাকেই সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন।
স্বাধীনতার প্রশ্নে আপসহীন অবস্থান
আধুনিক যুগে ব্যক্তি স্বাধীনতা এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী তার মন্তব্যের মাধ্যমে সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন। তিনি মনে করেন, অন্যের প্লেটে নজর দেওয়া এক ধরনের মানসিক সংকীর্ণতা। তার এই সাহসী অবস্থান অনেকেই সমর্থন করছেন, যারা মনে করেন ব্যক্তিগত জীবনযাপন ও আহার নির্বাচন সম্পূর্ণ নিজস্ব বিষয় হওয়া উচিত। কোনো বিশেষ খাদ্যতালিকা চাপিয়ে দেওয়া বা সমালোচনার মাধ্যমে অন্যের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা অগ্রহণযোগ্য। বিশ্বজিতের এই প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর এখন অনেকের কাছেই ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও স্বকীয়তার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি মনে করেন, জীবন যাপনের মান ঠিক করার দায়িত্ব ব্যক্তির নিজেরই থাকা উচিত।

মন্তব্য করুন