অনলাইন ডেস্ক, নবদিশা: দেশের শিক্ষকদের মেধা ও যোগ্যতার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। মঙ্গলবার ঢাকার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। মন্ত্রী বলেন, আমাদের শিক্ষকরা বিদেশ থেকে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করে দেশে এসে নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলছেন, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
শিক্ষকদের সঠিক গাইডলাইনের অভাব
শিক্ষামন্ত্রীর মতে, শিক্ষকদের যোগ্যতার ঘাটতি নেই, বরং তাদের সঠিক কর্মপরিকল্পনা ও নির্দেশনার অভাব রয়েছে। অনেক শিক্ষকই শুরুর উৎসাহ হারিয়ে ফেলেন, কারণ প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনার দুর্বলতায় তারা যথাযথ দিকনির্দেশনা পান না। তিনি দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেন, সঠিক গাইডলাইন পেলে এই মেধাবী শিক্ষকরাই জাতীয় শিক্ষার মানকে বিশ্বমানে উন্নীত করতে সক্ষম।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কার ও চ্যালেঞ্জ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ভঙ্গুর পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠা একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, বিগত সময়ের দুর্নীতি ও অপব্যবস্থাপনার বৃত্ত থেকে বেরিয়ে এসে প্রতিষ্ঠানটিকে একটি নিয়মতান্ত্রিক বা স্ট্রিমলাইন ধারায় ফিরিয়ে আনা জরুরি। অল্প সময়ের মধ্যে ব্যাপক পরিবর্তনের লক্ষ্যে তিনি কারিকুলাম আধুনিকায়ন এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণের পরিধি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, কোনো কোনো কলেজের সামগ্রিক অবস্থা দেখলেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃত চিত্র পাওয়া যায়। ভিসি আমানুল্লাহর নেতৃত্বে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, সব সমস্যা সাত মাসে সমাধান সম্ভব নয়, তবে সংস্কারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশাল ছাত্রগোষ্ঠীর ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে প্রতিটি কলেজকে শিক্ষার মূল ধারায় ফিরিয়ে আনতে হবে। শিক্ষকদের কাজের প্রতি দায়বদ্ধতা বাড়াতে কার্যকর তদারকি ও উৎসাহ প্রদানের ওপরও তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

মন্তব্য করুন