📅 মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬  |  ২০ ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নবোদিশা সত্য ও ন্যায়ের সাথে প্রতিদিন
বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

বোটাফোগোর জার্সি গায়ে ‘জুডাস’ তকমা, পালমেইরাসে পা রেখে রোষের মুখে মারলন

বোটাফোগোর জার্সি গায়ে ‘জুডাস’ তকমা, পালমেইরাসে পা রেখে রোষের মুখে মারলন

খেলাধুলা ডেস্ক, নবদিশা: ফুটবলের মাঠে দলবদলকে ঘিরে আবেগের বহিঃপ্রকাশ নতুন কিছু নয়। তবে ব্রাজিলিয়ান ক্লাব বোটাফোগোর সমর্থকরা তাদের সাবেক অধিনায়ক মারলন ফ্রেইতাসের প্রতি যে ক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন, তা সাম্প্রতিক সময়ে নজিরবিহীন। পালমেইরাসে যোগ দেওয়ার পর নিজের পুরনো মাঠ নিলটন সান্তোসে ফিরতেই তিনি দর্শকদের তীব্র তিরস্কারের শিকার হলেন।

বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে উত্তাল গ্যালারি

বোটাফোগোর জার্সিতে লিবের্তাদোরেস এবং ব্রাজিলিয়ান লিগ জয়ের নায়ক ছিলেন মারলন ফ্রেইতাস। সেই মারলনের জার্সি এবং নাম সম্বলিত পতাকা গ্যালারিতে প্রদর্শন করার বদলে সমর্থকরা তাতে ‘জুডাস’ বা বিশ্বাসঘাতক শব্দটি লিখে ঝুলিয়ে দিয়েছেন। একসময়ের প্রিয় খেলোয়াড়কে নিয়ে সমর্থকদের এই আক্রোশ মূলত তার দলবদল এবং পরবর্তী মন্তব্যের ফল।

পালমেইরাসে যোগ দেওয়ার পর মারলন ফ্রেইতাস একটি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিরোপা ছিল এবারের পাউলিস্তা চ্যাম্পিয়নশিপ। বোটাফোগোর জার্সি গায়ে লিবের্তাদোরেস এবং ব্রাজিলিয়ান লিগ জেতার চেয়েও এই মন্তব্যকে অনেক বড় অবমাননা হিসেবে নিয়েছেন সমর্থক ও প্রাক্তন সতীর্থরা। মাঠের লড়াইয়ে প্রতিপক্ষ দলের খেলোয়াড় হিসেবে তার ফিরে আসা এই উত্তাপকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

সতীর্থদের সাথে তিক্ত সম্পর্কের জের

মাঠের বাইরে মারলনের এই আচরণ সতীর্থদের মধ্যেও বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছিল। এর আগে প্রতিপক্ষ হিসেবে খেলার সময় জুয়াকিন কোরেয়ার সাথে তার উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় সবার নজর কেড়েছিল। কোরেয়া তাকে ক্যারিয়ারের ‘সবচেয়ে বাজে অধিনায়ক’ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন, যা মারলনের প্রতি দলের ভেতরের ক্ষোভ স্পষ্ট করে দেয়।

বর্তমানে পালমেইরাসের হয়ে নিয়মিত খেললেও, বোটাফোগোর সমর্থক বেসের কাছে তিনি এখন কেবলই একজন বিশ্বাসঘাতক। একদা যে দর্শক গ্যালারি তার নামে স্লোগান তুলত, এখন সেখানে তার জন্য বরাদ্দ শুধুই দুয়োধ্বনি। পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ারে এই ধরণের মানসিক ও আবেগীয় চাপের মুখোমুখি হওয়া মারলনের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.