জুলাই হত্যাকাণ্ডে ইন্টারনেট বন্ধ রেখে পরোক্ষ মদদ দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় সজীব ওয়াজেদ জয় ও জুনায়েদ আহমেদ পলক–এর বিরুদ্ধে সূচনা বক্তব্য শেষ হয়েছে। ট্রাইব্যুনাল জানিয়েছে, আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে।
অন্যদিকে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত শতাধিক গুম ও হত্যার মামলায় সাক্ষ্য দিতে এসে সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভুইয়া–কে আজ জেরা করেন জিয়াউল আহসান–এর আইনজীবীরা।
জেরার সময় ইকবাল করিম ভুইয়া দাবি করেন, জিয়াউল আহসান একজন “সিরিয়াল কিলার” ছিলেন এবং এ কারণেই তিনি তাকে পদোন্নতি দিতে রাজি ছিলেন না। তবে প্রমোশন বোর্ডের অধিকাংশ সদস্য তার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনীর প্রমোশন বোর্ডে অনেক ক্ষেত্রে পদোন্নতি ব্যক্তিগত স্বার্থে দেওয়া হতো। বোর্ড সভায় গোপনে সিনিয়র কর্মকর্তাদের বার্তা পাঠিয়ে জানানো হতো কে কার পক্ষে মত দিচ্ছেন— এমন অভিযোগও তোলেন তিনি।
উল্লেখ্য, গত ৯ ফেব্রুয়ারি তার সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়। পরবর্তী জেরা অনুষ্ঠিত হবে ২২ ফেব্রুয়ারি। ওই সাক্ষ্যে তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সেনাসদস্য ও র্যাবের মধ্যে গুম-খুনের একটি সংস্কৃতি গড়ে ওঠার বিষয় তুলে ধরেন।
এদিকে জুলাই হত্যাকাণ্ডে ওবায়দুল কাদের–এর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় প্রয়াত শরীফ ওসমান হাদি–র লিখিত জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছে ট্রাইব্যুনাল।

মন্তব্য করুন