নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে হামলার দাবি, কোথায় ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী?

নেতানিয়াহুর কার্যালয়ে হামলা নিয়ে আলোচনায় বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) একটি দাবি ঘিরে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, তেল আবিবে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে।

সোমবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, ‘খাইবার’ নামের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে নির্দিষ্ট প্রশাসনিক ও সামরিক স্থাপনাকে টার্গেট করা হয়। বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর এবং বিমানবাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড সেন্টার ছিল হামলার লক্ষ্যবস্তু।

তবে হামলার প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি কিংবা লক্ষ্যবস্তুতে সরাসরি আঘাত হানার বিষয়টি এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। ইসরাইলি প্রশাসনের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বিস্তারিত বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

হামলার সময় কোথায় ছিলেন নেতানিয়াহু?

ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমগুলোর কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু তার নির্ধারিত সফর বাতিল করেন। সর্বশেষ তার একটি সংক্ষিপ্ত ভিডিও বার্তা কয়েক ঘণ্টা আগে প্রকাশিত হয়েছে। এরপর থেকে নতুন কোনো ছবি বা ভিডিও সামনে না আসায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে।

তবে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো ধরনের হতাহতের খবর নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে নেতানিয়াহুর বর্তমান অবস্থান নিয়ে আনুষ্ঠানিক তথ্য এখনো স্পষ্ট নয়।

উত্তেজনা বাড়ছে দুই পক্ষের মধ্যে

সাম্প্রতিক সময়ে ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার দাবি ঘিরে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। উভয় পক্ষই নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ও প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের সরাসরি লক্ষ্যবস্তু হামলার দাবি আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলতে পারে।

আন্তর্জাতিক মহল পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর কথাও শোনা যাচ্ছে, যাতে উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

মধ্যপ্রাচ্যের এই নতুন পরিস্থিতি কেবল দুই দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.